বুয়েট শিক্ষার্থীর স্ট্যাটাসে আবরার হ’ত্যাকাণ্ড ঘটনায় আবারও নতুন মোড়!

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদ হ’ত্যার প্রতিবাদে বুয়েট ক্যাম্পাস বি’ক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে।

শিক্ষার্থীরা ফাহাদ হ’ত্যার সর্বোচ্চ শা’স্তি নিশ্চিত করে জ’ড়িতদের স্থায়ী বহিষ্কারসহ ৮ দফা দাবিতে বি’ক্ষোভ করছে।

এ হ’ত্যার বিচারকাজ যেনো দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে সম্পন্ন হয় সেজন্য বুয়েট প্রশাসনের কাছে দাবি করেছেন তারা।

এ সময় সাইয়েদ ঈ’মাদ উদ্দিন নামে এক বুয়েট ছাত্র তার ফেসবুক ওয়ালে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেটা নিয়ে শুরু এখন নতুন বিতর্ক।

বুয়েট ছাত্র সাইয়েদ ঈ’মাদ উদ্দিনের স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য তুলে ধ’রা হল-

“যে এক মিনিটের ভিডিওটা ভাইরাল হয়েছে, এটায় যাদের দেখা যাচ্ছে এরা কেউ আসল খু’নি না। আবরার ফাহাদকে ২০১১- তে নিয়ে ‘১৫’ ও ‘১৬’ ব্যাচ বেদম পিটাইছিল, তখনো ম’রে নাই। পরে তাকে ২০১১ থেকে ২০০৫- এ নিয়ে রাখা হয় ও এই রাখার কাজটা খু’নিরা ‘১৭’ এর পোলাপাইন দিয়ে করায়।

এরপর ২০০৫ এ কিছু একটা হইসিল, তবে পুরোটা এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। এরপর তারে ২০০৫ থেকে প্রায় মৃ’তপ্রায় অবস্থায় সিঁড়ির কাছে রাখা হয় যেখানে সে মা’রা যায়। এই পুরো অবস্থাতেই বডি আনা নেয়ার কাজ ‘১৭’ দিয়ে করানো হয়েছে আর এর একটা অংশই আপনারা এক মিনিটের ভিডিওতে দেখেছেন। কাজেই এই ভিডিওতে আসল খু’নিরা ছিলই না। আম’রা এতক্ষণ সবাই মিলে শেরে বাংলা হলে ছিলাম।

অনেক টালবাহানার পর (এমনকি পু’লিশ আমাদের ধাক্কা দিয়ে প্রভোস্ট’কে বের করতে চাচ্ছিল) শেষ পর্যন্ত প্রভোস্টের কাছ থেকে পুরো ৬ ঘণ্টার ভিডিও আম’রা নিতে পেরেছি। প্রায় ‘১৮’ জনকে খু’নের সাথে জ’ড়িত বলে চিহ্নিত করা গেছে আর ২০১১ তে কিছু খু’নি ছিল যারা বের হয়নি বলে আইডেন্টিফাই করা যায়নি। সবাই ‘১৫’,‘১৬’ ব্যাচের। কিন্তু রুম যাদের ও যাদের চিহ্নিত করা হয়েছে তাদের প্যাদালে আসল সব খু’নিদের চেহারা বের হয়ে আসবে’।

English

BUET Campus has been uprooted in protest against the murder of second-year student of the University of Engineering and Technology (BUET), Abrar Fahd.

Students have been demanding a six-point demand, including the permanent expulsion of the victims, confirming the highest degree of murder of Fahad.

They demanded from the BUET administration that the trial of the murder should be completed in a speedy trial tribunal.

At that time, a BUET student named Sayed-3 Mamad Uddin gave a status in his Facebook wall. The new debate is about to begin.

BUET student Syed.

“In the one-minute video that went viral, none of the people who showed up were actually open.” Batch of ‘8’ and ‘3’ was beaten with Abarra Fahad at 28, but I haven’t. Later, he was taken from 20 to 20 and this was done by the Khoo-nira ‘5’ polypain.

Then there is a whistle at 23, but I can’t say the whole thing right now. The wire is then placed near the staircase in the dirt from about 25 to where the mother goes. In this whole situation, the bodybuilding is done with ‘১৭’ and part of it is seen in a minute video. So there were no real killers in this video. Mum’s been in Sher Hall Bangla all this time.

After a lot of haul (even Poolish wanted to push us out of Provost), I finally got a full 5 hour video from Provost. About 1 in 5 people were identified as khun and some 25 were khuni who could not be identified because they did not come out. Everyone is a batch of ‘1’, ‘3’. But on the pedestal of the room and those who have been identified, the appearance of all the real killers will come out.

Author: somaiya

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *